বুধবার, ২৩ Jun ২০২১, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবিচল ছিলেন আতিকউল্লাহ খান মাসুদ

ঢাকা: আমৃত্যু মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন জনকণ্ঠের প্রয়াত সম্পাদক, প্রকাশক আতিকউল্লাহ খান মাসুদ। তিনি ছিলেন চেতনার বাতিঘর।

আর বঞ্চিত মানুষের আশ্রয়স্থল ছিল জনকণ্ঠ। তার অকাল মৃত্যুতে জাতি একজন লড়াকু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষকে হারাল। আগামীদিনে বাংলাদেশের অস্তিত্বেও লড়াইয়ে তার মতো মানুষের খুবই প্রয়োজন ছিল।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে জনকণ্ঠ ইউনিট ও দৈনিক জনকণ্ঠ সাংবাদিক কর্মচারী ঐক্যপরিষদের উদ্যোগে জনকণ্ঠের প্রয়াত সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকউল্লাহ খান মাসুদ স্মরণে আয়োজিত সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালন করায় জনকণ্ঠ সম্পাদকের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। সকল ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে বাইরে থাকা অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষগুলোকে নিয়ে আগামী দিনগুলোতে এগিয়ে চলার আহ্বান জানান তারা।

স্মরণসভার শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকউল্লাহ খান মাসুদ স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্যতম প্রতিষ্ঠান দৈনিক জনকণ্ঠ। এই প্রতিষ্ঠানে মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের প্রাণ খুলে লেখা ও বলার জায়গা করে দিয়েছেন সম্পাদক আতিকউল্লাহ খান মাসুদ। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবিচল ছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, সাংবাদিকতায় এখন নিরপেক্ষতায় জায়গা থেকে কাজ করা কঠিন। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কর্মকাণ্ড, সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস, হেফাজতের তাণ্ডব সব মিলিয়ে একটি আদর্শিক ধারায় থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ ছাড়া ভারসাম্যের সাংবাদিকতার সুযোগ কমে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা আক্রান্ত, তাই সঠিক ধারায় আমাদের চলতে হবে। যেমন চলেছিলেন জনকণ্ঠের সম্পাদক আতিকউল্লাহ খান মাসুদ।

জনকণ্ঠের ইউনিট চিফ ও সিনিয়র রিপোর্টার রাজন ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন,
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ব্লগার এ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট (বোয়াফ) সভাপতি কবির চৌধুরী তন্ময়, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাংবাদিক ফিরোজ মান্না, বিভাষ বাড়ৈ, মিথুন আশরাফ, গাফফার খান চৌধুরী প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2014
Design & Developed BY ithostseba.com